ছবির মাপ ঠিক করুন
পাসপোর্ট, অনলাইন ফরম বা দরখাস্তের জন্য ছোট ছবিটি বড় ও পরিষ্কার করে নামিয়ে নিন। ছবি আপনার ব্রাউজার ছেড়ে কোথাও যায় না।
ছবি সার্ভারে যায় না
গোটা কাজটা আপনার নিজের ব্রাউজারেই হয় — ছবি আপলোড হয় না, আমাদের কাছে জমাও থাকে না। তাই জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের ছবি নিয়েও নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলেও পাতাটি একবার খোলা থাকলে যন্ত্রটি চলবে।
১. ছবিটি বেছে নিন
৩. নামিয়ে নিন
নতুন মাপ :
চাওয়া মাপটা এত বড় ছিল যে ব্রাউজারের মেমোরি কুলাত না, তাই সবচেয়ে বড় নিরাপদ মাপে নামিয়ে আনা হয়েছে — উপরের সংখ্যাগুলোই আসল ফল।
ছবিটি নামিয়ে নিননামানোর পর কাগজে ছাপিয়ে একবার দেখে নিন — পর্দায় যা দেখা যায়, ছাপায় তার চেয়ে একটু আলাদা লাগতে পারে।
২. মাপ ও রং ঠিক করুন
ঝাপসা ছবিতে নতুন তথ্য জন্মায় না — বেশি গুণ দিলে মাপ বাড়ে, স্পষ্টতা নয়। ছাপার কাজে ৩ বা ৪ গুণেই ভালো ফল পাওয়া যায়।
৩০–৫০ এর ঘরে রাখলে ছবিটা স্বাভাবিক থাকে। অনেক বাড়ালে কিনারায় সাদা-কালো রেখা পড়ে আর মুখ শক্ত দেখায়।
ছবি ফ্রেশ ও পরিষ্কার করা
বাঁয়ে নীলচে, ডানে হলদে।
এই ঘরগুলো সাধারণ হিসাব — কোনো মডেল বা ইন্টারনেট লাগে না, তাই সব যন্ত্রে সবসময় কাজ করে। বেশি টানলে মুখের রং অস্বাভাবিক দেখায়; অল্প অল্প বাড়িয়ে ফল দেখে নেওয়াই ভালো। স্বচ্ছ (পিএনজি) ছবির স্বচ্ছতা ছোঁয়া হয় না।
ফরমে "সর্বোচ্চ ১০০ কেবি" লেখা থাকলে এখানে ১০০ লিখে দিন — গুণ নিজে থেকে কমিয়ে ওই মাপে নামানো হবে।
নতুন মাপ হবে
আলো-রং:
এ.আই. আগে ছবিটা গুণ বড় করবে, তারপর ওই ফল থেকেই চাওয়া মাপে আনা হবে — তাই মাপের হিসাব একই থাকে, শুধু ছবিটা পরিষ্কার হয়।
আগে উপরের ঘরে একটি ছবি বেছে নিন।
% হয়েছে — পাতাটি বন্ধ করবেন না।
যন্ত্রটি কী করে, কী করে না
ছাপাখানার পরীক্ষিত হিসাব (ল্যানজোস) দিয়ে ছবিটি বড় করা হয়, তারপর ধারগুলো একটু স্পষ্ট করা হয়। এতে মাপ বাড়ে দাঁত-খাঁজ ছাড়া, আর কিনারা পরিষ্কার থাকে।
যা হয় না: ঝাপসা ছবিতে নেই এমন তথ্য জন্মায় না — চোখের পাতা বা লেখার অক্ষর নতুন করে বানিয়ে দেওয়া যায় না। ছবিটি যত ভালো, ফলও তত ভালো। ভরসা করার মতো ছবি না পেলে ডাকঘরের কাউন্টার থেকেই তুলে নিন।
"ফ্রেশ ও পরিষ্কার" আর নিচের চারটে ঘর আলাদা জিনিস — ওগুলো ছবির আলো আর রঙের সাধারণ হিসাব, কোনো মডেল বা ইন্টারনেট লাগে না। ছবিটা মেপে ফ্যাকাসে ভাব টেনে খোলা হয় আর বাতির হলদে-নীলচে আভা সরানো হয়। এতে নতুন কিছু জন্মায় না, যা আছে তা-ই স্পষ্ট দেখা যায় — তাই পরিচয়ের কাগজে এটুকু নির্ভয়ে ব্যবহার করা যায়।